২৪ মে পর্যন্ত কোনও ধরনের কোনও পরীক্ষা হবে না

আগামী ২৪ মে ২০২১ তারিখ থেকে সকল বিশ্ববিদ্যায়ে শ্রেনী কক্ষে পাঠদান শুরু হবে। শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মন, এমপি বলেছেন, শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ, তাই তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সেই সিদ্ধান্তগুলো হলো— সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণি কক্ষে পাঠদান ২৪ মে ২০২১তারিখ, পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর শুরু হবে। আর আগামী

১৭ মে থেকে সকল হল খুলে দেওয়া হবে। এই সময়ে ২৪ মে পর্যন্ত কোনও ধরনের কোনও পরীক্ষা হবে না (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রযোজ্য)। আগামী ২৪ মে’র পর পরীক্ষাগুলো গ্রহণ করা হবে। আর অনলাইন ক্লাসগুলো যেভাবে চলছে সেভাবেই চলমান থাকবে।শিক্ষামন্ত্রী আজ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন। ভার্চুয়াল এ প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যরিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ যুক্ত ছিলেন।প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘হলগুলো খুলে দেওয়ার আগেই আবাসিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকলকে করোনার টিকা দানের ব্যবস্থা করা হবে। এই সময়ে ১৭ মে হল খুলে দেওয়ার আগের সময় টিকা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করবেন এবং যে সকল আবাসিক হলগুলোর সংস্কার ও মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে সেগুলো সম্পন্ন করবেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকে বিসিএস পরীক্ষার জন্য আবেদন করেছেন, অপেক্ষা করছেন, তাদের জন্য বলছি,

বিসিএস পরীক্ষার আবেদন ও পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে দেওয়া অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার তারিখের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নতুন তারিখ ঘোষণা করা এবং করোনার কারণে বিসিএস এর আবেদনের বয়সসীমা অতিক্রান্ত হয়ে যেনো কোনও শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করছি— শিক্ষার্থীরাও তাদের প্রস্তুতি নেবেন এবং যার যার হলে ফেরার প্রস্তুতি নেবেন। এই সময় অনলাইনে যেসব ক্লাস চলছে সেগুলোর প্রস্তুতি নেবেন।

আগামী ২৪ মে থেকে আমরা শ্রেণিকক্ষেই পাঠদানেরকাজ শুরু করতে পারবো। এই সিদ্ধান্তগুলো দেশের পাবলিক (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ), প্রাইভেট ও সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রযোজ্য হবে। আর ইতোমধ্যেই যদি কোনও শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করেন, যেটি করার কথা নয়, তাদের অবিলম্বে হল ত্যাগ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা যদি প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরে ব্যক্তিগত বা দলগতভাবে যেকোনোভাবেই, শিক্ষার সঙ্গে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কবিহীন কোন ধরনের অনৈতিক, অপরাধমূলক ও শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হন, তাহলে সেই কর্মকাণ্ডের দায়-দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করবে না।

মন্ত্রী বলেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষা কর্মকর্তাদেরও এই সময়ের মধ্যে (১৭ মে) টিকা নিতে হবে।উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর ওই বছরের ১৭ মার্চ থেকে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার।এম এ খায়েরতথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা,শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *